প্রকাশ :: ... | ... | ...

বারইয়ারহাট-শান্তিরহাট-আবুরহাট সড়ক সংস্কার কাজের উদ্বোধন


সংযুক্ত ছবি

| ছবি: সংগ্রহীত

মিরসরাই উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ বারইয়ারহাট-শান্তিরহাট-আবুরহাট সড়কের সংস্কার কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) এ সংস্কার কাজের উদ্বোধন করেন মিরসরাইয়ের সংসদ সদস্য নুরুল আমিন। স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত এ সড়ক সংস্কার কাজ শুরু হওয়ায় বারইয়ারহাট, শান্তিরহাট ও আবুরহাটসহ আশপাশের এলাকার মানুষের মধ্যে স্বস্তি ও সন্তোষ দেখা দিয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটি স্থানীয় জনসাধারণের দৈনন্দিন যাতায়াতের পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা ও বিভিন্ন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ব্যবহারের ফলে সড়কের বিভিন্ন অংশে ক্ষয়ক্ষতি ও খানাখন্দের সৃষ্টি হয়। এতে যানবাহন চলাচলে দুর্ভোগের পাশাপাশি সাধারণ যাত্রীদেরও নানা ভোগান্তির মুখে পড়তে হতো। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে সড়কের বিভিন্ন স্থানে পানি জমে চলাচলের সমস্যা আরও বাড়ত। সড়কটি সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়ায় এসব সমস্যা অনেকটাই কমে আসবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা। সংস্কার কাজের উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত স্থানীয়রা বলেন, বারইয়ারহাট-শান্তিরহাট-আবুরহাট সড়কটি মিরসরাইয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগপথ। সড়কটির সংস্কার সম্পন্ন হলে এ অঞ্চলের মানুষের যাতায়াত আরও সহজ, নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় হবে। পাশাপাশি কৃষিপণ্য ও অন্যান্য পণ্য পরিবহনেও সময় ও ভোগান্তি কমবে। উদ্বোধনকালে সংসদ সদস্য নুরুল আমিন বলেন, সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন এবং এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও গতিশীল করতে সড়ক উন্নয়নকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। জনগণের প্রয়োজন ও দুর্ভোগ বিবেচনায় নিয়ে পর্যায়ক্রমে গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোর সংস্কার ও উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন করা হবে। তিনি আরও বলেন, উন্নয়ন কাজের ক্ষেত্রে জনগণের প্রত্যাশা পূরণের পাশাপাশি কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করাও জরুরি। সংশ্লিষ্টদের যথাযথভাবে কাজ সম্পন্ন করার আহ্বান জানান তিনি। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হচ্ছিল। এখন সংস্কার কাজ শুরু হওয়ায় তারা আশাবাদী, দ্রুত কাজ শেষ হলে এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থায় দৃশ্যমান পরিবর্তন আসবে। সড়কটি সংস্কারের ফলে বারইয়ারহাট ও আশপাশের এলাকার সঙ্গে শান্তিরহাট ও আবুরহাটের যোগাযোগ আরও শক্তিশালী হবে। এতে স্থানীয় ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, রোগী ও সাধারণ যাত্রীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সরাসরি উপকৃত হবেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, গণ্যমান্য ব্যক্তি, সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।